নিজেদের আত্মরক্ষার অজুহাত তুলে সিরিয়ার ভূমি দখল ও সেখানে হামলার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তাদের দাবি, অঞ্চলটিতে ক্ষমতার শূন্যতা তৈরি হওয়ায় সম্ভাব্য হুমকি মোকাবেলায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ডেপুটি মুখপাত্র ভেদান্ত প্যাটেল বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা ইসরায়েল ও সিরিয়ার মধ্যে একটি স্থায়ী স্থিতিশীলতা দেখতে চাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইসরায়েল জানিয়েছে, তাদের সীমান্ত সুরক্ষার জন্য এই পদক্ষেপগুলো অস্থায়ী।’
ভেদান্ত প্যাটেল আরও দাবি করেন, সিরিয়ায় ক্ষমতার শূন্যতার প্রেক্ষাপটে সীমান্ত সুরক্ষিত রাখতে ইসরায়েল সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৮ই ডিসেম্বর সিরিয়ার রাজধানী দামেশকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহর ফেলে যায় দেশটির সরকারি বাহিনী। স্বৈর শাসক বাশার আল আসাদের নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে ৬১ বছরের বাথ পার্টির শাসন এবং ৫৩ বছরের আসাদ পরিবারের শাসনের অবসান ঘটে।
এই পরিস্থিতিতে ইসরায়েল দাবি করে, সিরিয়ার সাথে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে গেছে। এরপর তারা গোলান মালভূমির নিরস্ত্র অঞ্চল দখল করে নেয়। একই সাথে সিরিয়ার বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় শত শত বিমান হামলা চালায়। এসব হামলায় যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি