সিরিয়া ও লেবাননে ইসরায়েলের অবৈধ বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা

সিরিয়া ও লেবাননে ইসরায়েলের অবৈধ বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা
সিরিয়া ও লেবাননে ইসরায়েলের অবৈধ বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা। ছবি: আনাল আরাবি

দক্ষিণ লেবানন ও সিরিয়ায় বসতি স্থাপন নিয়ে ইসরায়েলের দুটি চরমপন্থী গোষ্ঠী-‘আউরি জাফন’ ও ‘নাহালা’-তাদের কার্যক্রম জোরদার করেছে। সম্প্রতি এসব গোষ্ঠী লেবানন ও সিরিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে জমি দখল ও বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে নানা তৎপরতা চালাচ্ছে।

‘আউরি জাফন’ গোষ্ঠী দক্ষিণ লেবানের মারুন আর রস এলাকায় প্রবেশ করে জমি দখলের একটি ঘটনা ঘটিয়েছে। তারা সেখানে ইসরায়েলের এক সেনার স্মরণে সিডার গাছ রোপণ করে। এ ঘটনায় লেবাননের স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দাদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। গোষ্ঠীটি তাদের প্ল্যাটফর্মে দক্ষিণ লেবানন দখলের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছে এবং অঞ্চলটি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

এদিকে সিরিয়ার নতুন আইনকে কাজে লাগিয়ে সেখানে বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজছে ‘আউরি জাফন’। তারা সম্ভাব্য বসতি স্থাপনের জন্য বিভিন্ন মানচিত্র প্রকাশ করেছে এবং অঞ্চলগুলোতে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা করছে।

অন্যদিকে ‘নাহালা’ গোষ্ঠী গাজা, লেবানন এবং সিরিয়ার গোলান মালভূমি ও জাবল শেখসহ একাধিক অঞ্চলে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছে। তাদের দাবি, ইহুদিদের পুনর্বাসনই ওই অঞ্চলে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পারে।

‘নাহালা’ গোষ্ঠী সম্প্রতি একটি বাইবেল-নির্ভর ঐতিহাসিক মানচিত্র প্রকাশ করেছে যেখানে লেবানন, সিরিয়া এবং ইরাকের বেশ কিছু অঞ্চলকে ‘ইসরায়েলের ঐতিহাসিক সীমানা’ হিসেবে দেখানো হয়েছে। গাজায় নতুন বসতি গড়ার জন্য তারা ইতোমধ্যে ৭০০টিরও বেশি পরিবারকে স্থানান্তরের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে।

দক্ষিণ লেবানন ও সিরিয়ায় এসব কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। বসতি স্থাপনের এসব পদক্ষেপ অঞ্চলটিতে নতুন করে উত্তেজনা বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আমাদের ফলো করুন