পাকিস্তান থেকে আসল আরেক কনটেইনার ভর্তি জাহাজ, যা আছে কনটেইনারে

পাকিস্তান থেকে আসল আরেক কনটেইনার ভর্তি জাহাজ
পাকিস্তান থেকে আসল আরেক কনটেইনার ভর্তি জাহাজ। ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের করাচি বন্দর থেকে সরাসরি চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে পণ্যবাহী জাহাজ এমভি ইউয়ান জিয়ান ফা ঝং। আজ শনিবার ২১শে ডিসেম্বর বিকেলে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে নোঙর করে। এটি করাচি থেকে পণ্য নিয়ে আসা দ্বিতীয় জাহাজ।

জানা গেছে, জাহাজটি করাচি বন্দর থেকে মোট ৮১১টি (২০ ফুট দৈর্ঘ্যের একক) কনটেইনার নিয়ে রওনা দেয়। এর মধ্যে বাংলাদেশে এসেছে ৬৯৮টি কনটেইনার। এতে রয়েছে চিনি, ডলোমাইট, সোডা অ্যাশ, কাপড়ের রোল, আখের গুড়, আলু এবং পুরোনো লোহার টুকরা।

পাকিস্তান থেকে আসা কনটেইনারগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পণ্য হলো:

চিনি: ২৮৫ কনটেইনার
ডলোমাইট: ১৭১ কনটেইনার
সোডা অ্যাশ: ১৩৮ কনটেইনার
কাপড়ের রোল: ৪৬ কনটেইনার
আখের গুড়: ২০ কনটেইনার
আলু: ১৮ কনটেইনার
পুরোনো লোহা ও রেজিন: ২০ কনটেইনার

এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসা অন্য কনটেইনারগুলোতে ছিল চিনি, খেজুর, লুব্রিকেন্ট অয়েল এবং বিভিন্ন খাদ্যপণ্য।

এই জাহাজ পরিষেবার ফলে ব্যবসায়ীদের জন্য সময় ও খরচ উভয়ই কমছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক আনিস উদ দৌলা বলেন, এবারের জাহাজে আগের তুলনায় দ্বিগুণ পণ্য এসেছে। সরাসরি জাহাজ পরিষেবায় সময় বাঁচছে এবং খরচও কমছে, যা ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে আরও সহজ করছে।

এই উদ্যোগ বাংলাদেশের বন্দর কার্যক্রম এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিশেষত পাকিস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

চট্টগ্রাম বন্দরে সরাসরি জাহাজ আসা দেশের আমদানি-রপ্তানি খাতকে আরও গতিশীল করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন উদ্যোগ বাণিজ্যিক পরিবহন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি সময়সাশ্রয়ীও। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান আরও মজবুত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আমাদের ফলো করুন