নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে অবৈধ অভিবাসীদের জন্য মার্কিন সীমান্ত বন্ধ করবেন। গতকাল রবিবার অ্যারিজোনায় ‘টার্নিং পয়েন্ট ইন ইউএসএ’ সম্মেলনে বক্তব্য রাখার সময় ট্রাম্প এ ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, ‘প্রথম দিনেই ওভাল অফিসে বসে একটি ঐতিহাসিক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করব, যা আমাদের সীমান্ত অবৈধ অভিবাসীদের জন্য বন্ধ করবে।‘ ট্রাম্পের মতে, এই পদক্ষেপটি অবৈধ অভিবাসীদের মার্কিন ভূখণ্ডে প্রবেশ রোধ করবে।
ট্রাম্প আরও জানান, তাঁর প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অভিবাসী প্রত্যাবাসন অভিযান শুরু করবে। তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক বিদেশি গ্যাং সদস্য, অবৈধ অভিবাসী এবং মার্কিন ভূখণ্ডে সক্রিয় অপরাধী নেটওয়ার্ককে বিচ্ছিন্ন, ধ্বংস এবং তাদের প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা হবে।’
এদিকে ‘সিএনএন’-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প প্রশাসন জন্মস্থানের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব প্রদান বাতিল করার বিভিন্ন পদ্ধতি পরীক্ষা করছে। এর মধ্যে রয়েছে পাসপোর্টবিহীন অভিভাবকদের শিশুদের নাগরিকত্ব সনদ প্রদান বন্ধ করা এবং পর্যটন ভিসার জন্য শর্ত কঠোর করা।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশ কয়েকবার অভিবাসন নীতি কঠোর করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন এবং বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অভিবাসন নীতির সমালোচনা করেছেন। তবে গণহারে আটক ও অবৈধ অভিবাসীদের প্রত্যাবাসনের পরিকল্পনায় তাঁর প্রশাসনও অর্থের সীমাবদ্ধতায় পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতি এখনো একটি অত্যন্ত বিতর্কিত বিষয় এবং এর সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলছে উত্তপ্ত আলোচনা।
সূত্র: আরটি অ্যারাবিক







