ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের এমন টানাপোড়েনের সময় বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশ এবং জঙ্গি তৎপরতা রোধের অজুহাতে ভারত বাড়তি সতর্কতা জারি করেছে। সম্প্রতি দক্ষিণবঙ্গের তিনটি জেলার সীমান্ত পরিদর্শন শেষে বিএসএফের দক্ষিণবঙ্গের আইজি মনিন্দর সিং পাওয়ার জওয়ানদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে তিনি চরম পদক্ষেপ নেওয়ার আগে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন।
নদিয়া, মালদা এবং মুর্শিদাবাদ সীমান্তে নিরাপত্তা আরও নিশ্ছিদ্র করতে অতিরিক্ত ২২টি বিএসএফ কম্পানি মোতায়েন করা হচ্ছে। বিএসএফ জানিয়েছে, যেসব এলাকায় কাঁটাতার নেই, সেখানে বেড়া দেওয়া হচ্ছে এবং টহলদারি বাড়ানো হয়েছে।
বিএসএফের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সীমান্তে সিসিটিভি ও ফ্লাডলাইট ব্যবহার করে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিজিবির সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে অনুপ্রবেশ রোধে দুই পক্ষই কাজ করছে।
বিশ্লেষকগণ মনে করছেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের এমন টানাপোড়েনের সময় ভারতের এমন পদক্ষেপ বাংলাদেশের জন্য বড়ই উদ্বেগ জনক। বাংলাদেশ সীমান্তে মিথ্যা তথ্যের উপর ভিত্তি করে অত্যাধুনিক ড্রোন নিযুক্ত করা, আবার বাংলাদেশের লাগোয়া সীমান্তে বিপুলসংখ্যক বিএসএফের কর্মী নিযুক্ত করা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় ধরনের হুমকি !