তিন ইসরায়েলি নারীর মুক্তির ৭ ঘণ্টা পর মুক্তি পেল ফিলিস্তিনি বন্দিরা

তিন ইসরায়েলি নারীর মুক্তির ৭ ঘণ্টা পর মুক্তি পেল ফিলিস্তিনি বন্দিরা
তিন ইসরায়েলি নারীর মুক্তির ৭ ঘণ্টা পর মুক্তি পেল ফিলিস্তিনি বন্দিরা। ছবি : সংগৃহীত

গাজায় দীর্ঘ ৪৭১ দিন ধরে চলা সহিংসতার পর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। যুদ্ধবিরতির শর্ত হিসেবে হামাস তাদের হাতে আটক তিন ইসরায়েলি নারী বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে। এরপর প্রায় সাত ঘন্টা দেরিতে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দিয়েছে ইসরায়েল।

ইসরায়েলি বাহিনী সোমবার গভীর রাতে পশ্চিম তীরের ওফার সামরিক কারাগার থেকে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেয়। তবে এই মুক্তি দিতে ইসরায়েল প্রায় সাত ঘণ্টা দেরি করে। স্থানীয় সময় রাত ১টার দিকে ফিলিস্তিনি বন্দিদের বহনকারী বাসগুলো ওফার কারাগার থেকে রওনা দেয়।

বন্দিদের স্বাগত জানাতে শত শত মানুষ কারাগারের বাইরে জড়ো হন। কিন্তু ইসরায়েলি বাহিনী সেখানে উপস্থিত জনতাকে আক্রমণ করে এবং এলাকা খালি করতে বাধ্য করে।

রোববার এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এটিকে সংঘাতের শিকার মানুষের জন্য সাময়িক স্বস্তি বলে মনে করা হচ্ছে।যুদ্ধবিরতির প্রথম দিনেই হামাসের সামরিক শাখা কাসেম ব্রিগেড গাজা শহরের সারাইয়া স্কয়ারে তিন ইসরায়েলি নারী বন্দিকে রেডক্রসের হাতে তুলে দেয়।

যুদ্ধবিরতির পর একটি ভিডিও বার্তায় হামাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র আবু উবাইদা বলেন, ‘তুফান আল-আকসা প্রমাণ করেছে যে ইসরায়েলি দখলদারিত্ব একটি ভুয়া শক্তি।’ তিনি আরও বলেন, ‘যুদ্ধবিরতির শর্ত মেনে চলা ইসরায়েলের ওপর নির্ভর করছে। তবে প্রতিরোধ যোদ্ধারা সব সময় প্রস্তুত থাকবে।’

বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই যুদ্ধবিরতি সাময়িক শান্তি বয়ে আনলেও সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলটিতে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা আনতে আরও কার্যকর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

আমাদের ফলো করুন