নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী ২০শে জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের আগে ইসরায়েলি বন্দীদের মুক্তি এবং যুদ্ধবিরতির চুক্তি করতে হামাসকে সতর্ক করেছেন। অন্যথায় হামাসের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।
ট্রাম্প এক বিবৃতিতে জানান, তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা করেছেন। নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ইসরায়েলি সরকারের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমেরিকা ইসরায়েলের পাশে থাকবে এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যা যা প্রয়োজন তা করবে!’
এদিকে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে রাশিয়া ও ইউক্রেনের নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প। এর মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেকে একজন সক্রিয় শান্তি প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে উপস্থাপন করতে চান বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই সতর্কবার্তা বেশ কিছু বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। সমালোচকরা বলছেন, মার্কিন প্রশাসনের দীর্ঘদিনের পররাষ্ট্রনীতির ধারাবাহিকতায় ট্রাম্পও ইসরায়েলের প্রতি পক্ষপাতমূলক অবস্থান ধরে রেখেছেন।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনে মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং দমনমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। জাতিসংঘের একাধিক রিপোর্টে ইসরায়েলি সরকারের কর্মকাণ্ডকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র এসব ইস্যুতে ইসরায়েলের পক্ষে অবস্থান নেয়!
তবে ট্রাম্পের সমর্থকরা দাবি করেছেন, তার এই হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।
সূত্র: আল জাজিরা, বিবিসি নিউজ







