যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শাসনামলে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতার কারণে গত অর্থবছরে ২ লাখ ৭০ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশীকে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক কর্তৃপক্ষ (আইসিই) জানিয়েছে, বিতাড়িতদের অধিকাংশই দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন। এদের মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ ছিল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছর বাইডেন প্রশাসন অভিবাসন–সংক্রান্ত বিধি আরও কঠোর করে। যদিও তাঁর প্রেসিডেন্টের শুরুতে সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অভিবাসনের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছিল। ট্রাম্প প্রশাসনের তুলনায় এ সংখ্যাটি সর্বোচ্চ বলে জানা গেছে।
আগামী জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। অভিবাসন ইস্যুকে প্রাধান্য দিয়ে তিনি নির্বাচনী প্রচারে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বসবাসকারী অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অভিযান চালানো হবে। তবে বিশ্লেষকেরা মনে করেন, ট্রাম্পের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং তেমন কার্যকর হবে না।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ থেকে ১ কোটি ৫০ লাখ মানুষ অবৈধভাবে বসবাস করছেন বলে ধারণা করা হলেও ট্রাম্পের সমর্থকদের দাবি, এ সংখ্যা আরও অনেক বেশি।
আইসিই-এর উপপরিচালক প্যাট্রিক লেচলেইটনার বলেন, ‘অভিবাসন নীতি কার্যকর করতে প্রতিবছর আমাদের কর্মীরা নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হন। তবে তাঁরা দক্ষতার সঙ্গে তা মোকাবিলা করেন।’
বাইডেন প্রশাসনের শেষ বছরে প্রকাশিত এ প্রতিবেদন অভিবাসন ইস্যুকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক অস্থিরতার একটি স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরেছে।







